ইয়াবা পাচারে জড়িত ৬০ জন গডফাদার এর নাম

Total Views : 323
Zoom In Zoom Out Read Later Print

শহর কিংবা গ্রাম দেশের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ইয়াবা পাওয়া যায় না। ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত গডফাদারা ধরা না পড়ায় এর বিস্তার রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে একাধিকবার ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত গডফাদারের নতুন নতুন তালিকা তৈরি করা হলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় অপারেশন কার্যক্রম নেই। এরই মধ্যে ইয়াবা ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত ৬০ জন গডফাদার ও ১২ শতাধিক ব্যবসায়ীর নতুন তালিকা রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। গডফাদাররা গ্রেফতার না হওয়ায় তালিকা এখন অনেকটাই ফাইল বন্দী হয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় র‍্যাব , পুলিশ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে ইয়াবা গডফাদারের তালিকা তৈরি করা হয়।

ইয়াবা পাচারে জড়িত ৬০ জন গডফাদার দীর্ঘদিন ধরে ধরাছোয়ার বাইরে। এসব গডফাদাররা হলেন, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার আলিয়াবাদ গ্রামের মৃত এজাহার মিয়া কোম্পানীর চার ছেলে আব্দুল আমিন (৩৫), মো. আব্দুস শুক্কুর (৩৮), মো. সফিক (২৩) ও মো. ফয়সাল, টেকনাথের সাবরাং পৌরসভার বাজারপাড়া গ্রামের ওসি আব্দুর রহমানের পুত্র সাহেদুর রহমান নিপু (২৪), পৌর কাউন্সিলর সৌলভী মুজিবুর রহমান (৩৪), সাবরাং পৌরসভার আলীর ডেইল গ্রামের মৃত নজির আহমদ মেম্বারের দুই পুত্র আকতার কামাল (৩৬) ও শাহেদ কামাল (৩০), টেকনাফ সদরের খাকারপাড়া গ্রামের হায়দার আলীর পুত্র কামরুল হাসান রাসেল (৩২), টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ গ্রামের মৃত ইব্রাহিম খলিলের পুত্র মারুফ বিন খলিল (২৯), টেকনাফ সদরের শীবনিয়াপাড়া গ্রামের ডা. হানিফের পুত্র হাজী সাইফুল করিম (৩০), একই গ্রামের কালা মিয়ার পুত্র সাইফুল ইসলাম (৪২), সাবরাং পৌরসভার আচারবনিয়া গ্রামের সৈয়দুর রহমানের পুত্র আবুল কালাম (৫০), হূীলা পৌরসভার পশ্চিম লেদা গ্রামের মৃত আবুল কাশেসের পুত্র মো. নুরুল হুদা (৩৫), টেকনাফ সদরের লেঙ্গুরবিল গ্রামের মৃত সুলতান আহম্মদের পুত্র টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ (৫১), একই গ্রামের জাফর আহমদ চেয়ারম্যানের তিন পুত্র মোস্তাক মিয়া (৩৪),  দিদার মিয়া (৩২), মো. শাহজাহান (৩০), টেকনাফ থানার ডেইলপাড়া গ্রামের কালা মোহাম্মদ আলীর দুই পুত্র মো. আমিন (৩৭) ও নুরুল আমিন (৩৪), মৌলভীপাড়ার মো. একরাম হোসেন (৩০), আব্দুর রহমান (২৭), ছৈয়দ হোসেন মেম্বার (৪৩), নয়াপাড়ার শামসুল আলম মার্কিন (৪৭), বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ (৪০), শামলাপুরের হাবিব উল্লাহ হাবিব (৩৫), কচুবনিয়ার মৌলভী বশির ডাইলা (৪৪), খানকারপাড়ার মৌলভী বোরহান (৪৬), শাহ আলম (২৮), নাজিরপাড়ার জিয়াউর রহমান, নাজিরপাড়ার আব্দুর রহমান (২৬), জালিয়াপাড়ার মোজাম্মেল হক (২৫), জোবাইর হোসেন (৩৩), কুলালপাড়ার নুরুল বশর নৃশৃসাদ (৩২), পল্লানপাড়ার আব্দুল হাকিম (৪০),  হাতিয়ারঘোনার মো. আব্দুল্লাহ (৩১), নাপাইগার জাফর আলম (৩০),  গোদারবিলের আব্দুর রহমান (৩২), জিয়াউর রহমান (২৮), নুরুল আলম চেয়ারম্যান (৪৩),  ফুলের ডেইলের মো. রাশেদ (৩২), বাজারপাড়ার মোহাম্মদ শাহ মালু (৫০),  নির্মল ধর (৫৫), পশ্চিম লেদার মো. নুরুল কবির (৩৬), হাবিবপাড়ার ইউছুফ জালাল বাহাদুর (৩০), নাইট্যাংপাড়ার মো. ইউনুছ (৫০), উলুমচামরীর আব্দুল হামিদ (৩৫), পশ্চিম সিকদারপাড়ার ছৈয়দ আহমদ ছৈয়তু (৫৪), রঙ্গীখালীর হেলাল আহমেদ (৩৪), জাদিমুরার মো. হাসান আব্দুল্লাহ (৩৩), ফুলের ডেইল’র মাহবুব মোর্শেদ, উত্তর জালিয়াপাড়ার মোস্তাক আহমেদ (৩৫), হাজিরপাড়ার জহির উদ্দিন (৩৬), জয়নাল উদ্দিন (৩৩), মো. আলী (৩২), আবুল কালাম, জুমছড়ির সুরত আলম (৫৫), কমলাপাড়ার নুরুল আলম (৩৫), ভালবাশার জসিম উদ্দিন (৪৫), থালিপাড়ার আব্দুর রহিম (৩৫)সহ বর্তমান ও সাবেক দুই সংসদ সদস্য। তালিকায় জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের নামও উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া জেলা ভিত্তিক ইয়াবাসহ মাদক পাচারের জড়িতদের আলাদা তালিকা করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

See More

Latest Photos