অপরাধ,দুর্ণীতির বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলুক।

Total Views : 83
Zoom In Zoom Out Read Later Print

মোস্তফা ফিরোজ, ঢাকা।


 

যুবলীগের সমবায় সম্পাদক নেতার অফিসকে যদি সরকার সমবায় ব্যাংক হিসাবে ঘোষণা দেয় তাহলে সেটি যে একটি শক্তিশালী ব্যাংকে পরিনত হবে সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। 

আবার ঢাকার ক্লাবে ক্লাবে যে রকম আধুনিক ক্যাসিনোর সন্ধান পাওয়া গেছে তাতে সবগুলোকে যদি জোড়া দেয়া যায় তাহলে বিশ্বের মানচিত্রে রাজধানী ঢাকাও ক্যাসিনো ওয়ার্ল্ডের মর্যাদা পাবে নিঃসন্দেহে।

এতো অর্থ ও জৌলুসের স্বীকৃতি না থাকায় তা ছিলো নীরবে নিভৃতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এসব বিষয় হঠাৎ করে উন্মোচিত হয়ে পড়ায় সবারই পিলে চমকে গেছে। অফিসে ও ক্লাবে এতো নগদ অর্থ অস্ত্র মাদক মজুত থাকতে পারে তা কল্পনার সীমাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

এখন অভিযানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যাই হোক না কেন এর প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন রয়েছে। বিশেষ করে অবৈধ অর্থ, মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনো যে সমাজে অপরাধের উৎস সেটা নিয়ে কারো সন্দেহের অবকাশ নেই। তাই সবাই চান এমন অভিযান চলতে থাকুক। রাজনৈতিক অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচিত হোক। ধারাবাহিক ভাবে এই অভিযান চলতে থাকলে উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হরিলুট নিয়ন্ত্রণ হবে। রাজনীতিতে ঘুষ দুর্নীতি মাদকের আশ্রয় প্রশ্রয় কমতে শুরু করবে। এই মুহুর্তে সাধারণ মানুষের কাছে গণতন্ত্র নির্বাচন জরুরি না। জরুরি হলো দুর্নীতি দুঃশাসন মুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করা। আর সেটা করতে হলে অভিযান অব্যহত রাখতে হবে। এতে শাসক দলে রক্তক্ষরণ হবে। কিন্তু জনসমর্থন বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের পরাস্থ করতেই হবে। সরকারি দল করলে ধনবান বিত্তবান হওয়া যায়, এই ধারনা পাল্টাতে হবে। এটি এখন সময়ের দাবি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার জীবনের শেষভাগে এসে একটি কঠিন লড়াই শুরু করেছেন। এই লড়াইয়ের শেষটা দেখার জন্য জনগণ মুখিয়ে আছে।

See More

Latest Photos